কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো সফল উদ্যোক্তা

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো সফল উদ্যোক্তা

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা অর্জনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করলো সফল উদ্যোক্তা

বিশেষ প্রতিনিধি
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখছে “স্যাম ব্যাটারি রিজেনারেশন কোম্পানি। দেশে কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।

প্রতিষ্ঠানটি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা আগ্রহী ব্যক্তিদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করছে। প্রশিক্ষণ শেষে অনেকেই নিজ নিজ এলাকায় ব্যাটারি সার্ভিসিং ও রিজেনারেশন ব্যবসা শুরু করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোহাম্মদ আলী একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ টেকনিশিয়ান। তার একান্ত সহযোগী মোঃ মাইনুদ্দিন প্রশিক্ষণে সহযোগিতা করে। তাদের দীর্ঘদিনের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে তারা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে-কলমে লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির ত্রুটি নির্ণয়, রিজেনারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপদ সার্ভিসিং এবং মানসম্মত সেবাদান সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। ফলে প্রশিক্ষণার্থীরা শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞানই অর্জন করছেন না, বরং উদ্যোক্তা হওয়ার বাস্তব প্রস্তুতিও নিচ্ছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ব্যাটারি রিজেনারেশন প্রযুক্তি একদিকে যেমন পুরোনো ব্যাটারির ব্যবহার যোগ্যতা বৃদ্ধি করে গ্রাহকের ব্যয় কমাতে সহায়তা করে, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় ব্যাটারি বর্জ্য কমিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এ খাতে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়।

প্রশিক্ষণ প্রাপ্তদের অনেকেই জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণ শেষে তারা নিজ এলাকায় সফলভাবে ব্যাটারি সার্ভিসিং ও রিজেনারেশন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এতে তাদের আয়ের নতুন উৎস তৈরি হয়েছে এবং স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণ দেওয়া নয়, দক্ষ কারিগর ও সফল উদ্যোক্তা তৈরি করা। দেশের প্রতিটি জেলায় প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিবেশবান্ধব ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা ছড়িয়ে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তিনির্ভর কারিগরি প্রশিক্ষণ দেশের বেকারত্ব কমানো, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা তৈরি এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সে লক্ষ্যে কোম্পানিটি দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলে দেশের অর্থনীতি আরও গতিশীল করতে ইতিবাচক অবদান রাখছে।

প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে দেশের আরও বেশি তরুণ-তরুণীকে আধুনিক প্রযুক্তি ভিত্তিক প্রশিক্ষণের আওতায় এনে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

Loading

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *