
অসুস্থ গরু জবাই করে বিক্রির অভিযোগ,
লামা প্রতিনিধি।
লামা উপজেলার ৩নং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের গুলিস্তান বাজারে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে প্রকাশ্যে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি।
স্থানীয় সূত্র জানাযায়, আজ গুলিস্তান বাজারে মফিজ নামের এক মাংস ব্যবসায়ী একটি অসুস্থ গরু জবাই করেন। একই সঙ্গে পারভেজ ও মফিজ নামের দুই ব্যবসায়ীর নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের অনিয়ম চলার অভিযোগ রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। তবে বিষয়টি তদন্তাধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পশু জবাইয়ের আগে কোনো ধরনের ভেটেরিনারি স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা সরকারি অনুমোদন গ্রহণ করা হয়নি। খোলা জায়গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে গরু জবাই করে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে মাংস বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ছে।
বাংলাদেশ সরকারের পশু জবাই ও মাংস নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১১ অনুযায়ী অসুস্থ, রোগাক্রান্ত বা অযোগ্য পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকলেও, তারা কোন নিয়ম নিতি তোয়াক্কা না করে দেশের আইন অমান্য করে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে দীর্ঘদিন যাবৎ। নিয়ম অনুযায়ী পশু জবাইয়ের আগে বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ভেটেরিনারি সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
অনুমোদনহীন স্থানে পশু জবাই করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
আইন অমান্য করলে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।কিন্তু সংশ্লিষ্ট বাজারে এসব বিধান না মেনে ব্যবসা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অসুস্থ পশুর মাংস মানবদেহে ফুড পয়জনিং, ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ, অন্ত্রজনিত রোগসহ মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ
বাজারে নিয়মিত পশু স্বাস্থ্য পরীক্ষা নিশ্চিত করা
অবৈধ ও অসুস্থ পশু জবাই বন্ধ
দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা
স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া এই অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব নয়, স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি জানান।
![]()


