
দামুড়হুদায় সাংবাদিক নাছিমের বাড়ির ছাদ ছুঁইছুঁই পল্লী বিদ্যুতের লাইন: যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কজনক
নাছিম সি:স্টাফ রিপোর্টার
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার মজলিশপুর গ্রামে সাংবাদিক নাছিমের বসতবাড়ির ছাদের মাত্র ৫ ফুট উপর দিয়ে বয়ে গেছে পল্লী বিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ মেইন লাইন। যেকোনো মুহূর্তে তার ছিঁড়ে বা অসাবধানতাবশত বড় ধরনের প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন পরিবার ও এলাকাবাসী। অনতিবিলম্বে এই বিপজ্জনক লাইনটি অপসারণ বা নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তীব্র দাবি জানানো হয়েছে।
ছাদ ছুঁইছুঁই মরণফাঁদ, আতঙ্কে পরিবার
সরেজমিনে এবং প্রাপ্ত চিত্রে দেখা গেছে, সাংবাদিক নাছিমের নবনির্মিত বা নির্মাণাধীন পাকা বাড়ির ছাদের ঠিক ওপর দিয়েই বিপজ্জনকভাবে চলে গেছে পল্লী বিদ্যুতের একাধিক উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তার। সরবরাহকৃত ছবি স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে যে, ছাদের দেয়ালের ঠিক সামান্য ওপর দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে এই বৈদ্যুতিক তারগুলো অতিক্রম করেছে। এমনকি ছাদের চারপাশের গাছপালা ও বাঁশঝাড়ের ডালপালাও এই বিদ্যুতের তারের সাথে প্রায় লেগে রয়েছে, যা সামান্য ঝড়-বৃষ্টি বা বাতাসেও স্পার্কিং (অগ্নিকাণ্ড) ঘটাতে পারে।
ছবির নিচের কোণ থেকে দেখলে বোঝা যায়, ছাদের কার্নিশ বা ছাদ ব্যবহারের সময় যেকোনো মানুষের হাত বা শরীর সামান্য অসতর্কতায় এই তারের সংস্পর্শে চলে আসতে পারে। ছাদের ওপর কোনো কাজ করতে গেলে বা পরিবারের শিশুরা খেলাধুলা করতে গেলে যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনা।
স্থানীয়দের ক্ষোভ ও কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ
সাংবাদিক নাছিম ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, বাড়ির ওপর দিয়ে এভাবে খোলা ও বিপজ্জনক বিদ্যুৎ লাইন চলে যাওয়ায় তারা সবসময় চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ছাদ থাকা সত্ত্বেও তারা সেখানে উঠতে ভয় পাচ্ছেন। বাতাসে তার নড়ে উঠলে বা বৃষ্টি হলে এই আতঙ্ক আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।
এলাকাবাসী জানান, আবাসিক এলাকায় বাড়িঘরের এত কাছ দিয়ে বা ছাদের ওপর দিয়ে এভাবে মেইন লাইন থাকা মোটেও নিরাপদ নয়। পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের উচিত ছিল লাইন স্থাপনের সময় বা পরবর্তীতে বাড়িঘর নির্মাণের ক্ষেত্রে নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করা।
দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ
একটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন না করে, দুর্ঘটনা ঘটার আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। মজলিশপুর গ্রামের এই মরণফাঁদ থেকে সাংবাদিক নাছিমের পরিবারকে রক্ষা করতে এবং একটি নিশ্চিত দুর্ঘটনা এড়াতে মেহেরপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস) ও সংশ্লিষ্ট হাতিকাটা জোনাল অফিসের কর্মকর্তাদের প্রতি জরুরি ভিত্তিতে এই লাইনটি নিরাপদ দূরত্বে স্থানান্তর করার জন্য বিনীত ও জোর অনুরোধ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল।
![]()


