বান্দরবানে পাঁচ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বান্দরবানে পাঁচ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

বান্দরবানে পাঁচ ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

​বান্দরবানে পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের দায়ে পাঁচটি অবৈধ ইটভাটার মালিকদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

​রোববার (১ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের পেশকার মাহবুব কাদের।

​আদালত ও পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, জেলার পাঁচটি উপজেলায় পরিবেশ আইন অমান্য করে এবং প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই ৭০টি ইটভাটা গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৪২টি ইটভাটা সচল রয়েছে। ইতোপূর্বে কয়েকবার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কিছু ইটভাটাকে অর্থদণ্ড প্রদান এবং বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলেও সেগুলো বন্ধ করা যায়নি।

​অপরদিকে, পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের অপরাধে ৮টি ইটভাটা মালিকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। তার মধ্যে ৫টি মামলায় আটজন মালিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন পরিবেশ আদালত।

​পরোয়ানাভুক্ত ভাটা মালিকরা হলেন: থানচি উপজেলার এমএসবি ভাটার মালিক আনিসুর রহমান সুজন (মামলা নং- ০৩/২৬), আলীকদম উপজেলার এবিএম ইটভাটার মালিক সামছুদ্দিন ও এখলাছুর রহমান (মামলা নং-৫/২৬), ইউবিএম ইটভাটার মালিক জামাল উদ্দিন (মামলা নং-৪/২৬), এফবিএম ইটভাটার মালিক শওকত তালুকদার (মামলা নং-২/২৬) এবং নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার বিবিএম ইটভাটার মালিক মোহাম্মদ আবু ছৈয়দ, আবুল বশর ও ফরিদ আহমদ (মামলা নং-১/২৬)।

​পরিবেশ অধিদপ্তরের দায়ের করা মামলায় বান্দরবান সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও স্পেশাল পরিবেশ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আনোয়ার হোসেন এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ দেন।

​পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, অবৈধ ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইতোমধ্যে অবৈধ ইটভাটা থেকে ৮০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় এবং ৮টি ভাটার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

​আলীকদম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনজুর আলম জানান, অবৈধ ইটভাটা মালিকদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারি পরোয়ানার বিষয়ে পুলিশের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Loading

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *