
হোমিওপ্যাথিক কাউন্সিল পুনর্গঠন: চেয়ারম্যান নিয়োগ ঘিরে বিতর্ক, যোগ্য নেতৃত্বের জোর দাবি করেছেন, প্রভাষক ডাঃ মোহাম্মদ সৈয়দ মহিউদ্দিন।
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টোর।
বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিল পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা, উদ্বেগ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বর্তমানে কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অতিরিক্ত সচিব (চিকিৎসা শিক্ষা) অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে পালন করছেন। সরকার নতুন করে কাউন্সিল পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ায় খাতসংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, সংগঠক ও শিক্ষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হলেও চেয়ারম্যান নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।
সূত্র জানায়, পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে গত ১১ এপ্রিল বিভাগীয় পর্যায়ে সদস্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। ইতোমধ্যে কাউন্সিলের নির্বাহী পরিষদের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ নিয়ে নানা তৎপরতা শুরু হয়েছে। নরসিংদী হোমিও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. শফিকুল ইসলামের নাম সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে।
তবে এ সম্ভাব্য নিয়োগ নিয়ে হোমিওপ্যাথি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, জাতীয় পর্যায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে এমন ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া উচিত, যিনি পেশাগতভাবে দক্ষ, প্রশাসনিকভাবে অভিজ্ঞ এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য। তাদের মতে, এই পদটি শুধু সম্মানজনকই নয়, বরং দেশের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ও সেবার মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কিছু চিকিৎসক ও সংগঠক অভিযোগ করছেন, রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হলে তা পুরো খাতের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এতে কাউন্সিলের কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক শিক্ষার মান ও প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়তে পারে।
এ বিষয়ে শহীদ জিয়া হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক দল( কুমিল্লা বিভাগীয়) কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক,জাসাস ঢাকা মহানগর উওর এর সাবেক স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাঃ মোহাম্মদ লিটন মিয়া বলেন, “চেয়ারম্যান নিয়োগের ক্ষেত্রে যদি যোগ্যতা ও সক্ষমতার বিষয়টি উপেক্ষিত হয়, তাহলে তা খাতটির জন্য নেতিবাচক বার্তা বহন করবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকার যদি সত্যিকার অর্থে
![]()


