
বান্দরবানের লামার কোয়ান্টাম কসমো স্কুল অ্যান্ড কলেজের উজ্জ্বল ফলাফল
বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি.
বান্দরবান জেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে অবস্থিত আবারও শিক্ষাক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছে। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৩৮ জন দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধার ভিত্তিতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, চলতি বছরে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩ জন সরকারি মেডিকেল কলেজ, ২ জন (চুয়েট), ১ জন (রুয়েট), ৭ জন , ১১ জন , ১ জন , ১ জন , ১ জন এবং ১ জন সরকারি নার্সিং কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। এছাড়া সম্প্রতি আরও ১০ জন শিক্ষার্থী এই সাফল্যের তালিকায় যুক্ত হয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে অন্তত ৬ জন শিক্ষার্থী। উল্লেখ্য, গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা এখনও অনুষ্ঠিত হয়নি এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।
সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ধনলাল ত্রিপুরা (শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, কিশোরগঞ্জ), উছাইহ্লা মারমা (সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ) এবং অংক্যসিং মারমা (মাগুরা মেডিকেল কলেজ)। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পেয়েছে মংথুইনু মারমা ও জিসান তঞ্চগ্যা (চুয়েট) এবং শফিকুল ইসলাম (রুয়েট)।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলো—লাল নেই সাং বম (অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস), ওয়াইংজ্য মারমা (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স), ইয়াসিনুর রহমান পরান (গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা), ওয়ারেছুল হক রিয়াদ (ফারসি ভাষা ও সাহিত্য), শৈমংসাই মারমা (ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স), সৈকত উদ্দিন আহমেদ (অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস) এবং জুলিনময় ত্রিপুরা (অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ)।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিজিক্যাল এডুকেশন অ্যান্ড স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে নেওয়ান চাক, অনিল তংচংগ্যা, মো. সজীব, সজীব কিসকো, মোছা. আয়েশা খাতুন ও মোছা. শাহনাজ খাতুন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগে সুযোগ পেয়েছে রেশমি সাঁওতাল (ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি), সারজিনা আক্তার (বাংলাদেশ স্টাডিজ), মোছা. লাবিবা তাজরিন (চারুকলা) এবং সজীব খিয়াং (সংগীত)।
এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগে মো. জাহিদ হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে ফুংপ্রে মুরুং এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্টমেকিং বিভাগে মংনুসিং মারমা ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছে। পটুয়াখালী নার্সিং ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা-ইন-নার্সিং কোর্সে সুযোগ পেয়েছে কাজল চাকমা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের মধ্যে ২৫ জন শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিল।
![]()


