সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠনের দাবিতে  ছাত্র-জনতার মহা সমাবেশ।

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠনের দাবিতে  ছাত্র-জনতার মহা সমাবেশ।

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠনের দাবিতে  ছাত্র-জনতার মহা সমাবেশ

মুহাম্মদ আলী,স্টাফ রিপোর্টার:
সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ মুক্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, সরকারী চাকুরি, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড’সহ সকল ক্ষেত্রে পাহাড়ের বাঙালীদের সঙ্গে বৈষম্য দূর করে জনসংখ্যার অনুপাতিক পদ বন্টনের দাবি এবং পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে রাষ্ট্র বিরোধী দেশী-বিদেশী ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বান্দরবানে শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে কয়েক হাজার ছাত্র-জনতা।

আজন্ম বৈষম্যের শিকার বাঙালীদের সমঅধিকারের দাবিতে ৩১ আগস্ট শনিবার বিকাল ৩ টায় বান্দরবান প্রেসক্লাব চত্ত্বর থেকে কয়েক হাজার ছাত্র-জনতা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় বৈষম্য বিরোধী বিভিন্ন পোষ্টার-ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে। মিছিলটি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব চত্ত্বর গিয়ে মহাসমাবেশে রূপ নেয়।  ছাত্র জনতার মহা সমাবেশে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এর সভাপত্বিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন, পার্বত্য নাগরিক পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান কাজী মজিবর রহমান। এ সময় সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য নাগরিক পরিষদের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আলমগীর কবির, বান্দরবান জেলা কমিটির সহ-সভাপতি  এম রহুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল রানা,বক্তব্য রাখেন মোঃ আসিফ ইকবাল, সভাপতি পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা।

বক্তব্য রাখেন নারী নেত্রী খুরশিদা ইসহাক,

সভানেত্রী, পার্বত্য চট্টগ্রাম মহিলা পরিষদ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা। বক্তব্য প্রদান করেন মোঃ নুরুল আলম, সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, আলীকদম উপজেলা। বক্তব্য রাখেন: সাংবাদিক মোঃ কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, লামা উপজেলা।

বক্তব্য রাখেন মোঃ এরশাদ চৌধুরী,সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, বান্দরবান পৌরসভা। এইচ.এম সম্রাট,সাবেক ছাত্রনেতা ও বিশিষ্ট কলম সৈনিক, বক্তব্য রাখেন মোঃ জসীম উদ্দিন,উপদেষ্ঠা, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, রুমা উপজেলা ও সাংগঠনিক সম্পাদক, হোটেল মালিক সমিটি, বান্দরবান।বক্তব্য রাখেন মোঃ সোলায়মান,সাধারণ সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, রাঙ্গামাটি জেলা।মোঃ লোকমান হোসাইন, সভাপতি, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, খাগড়াছড়ি জেলা, বীর মুক্তিযোদ্ধ ক্যাপ্টেন (অব) তারু মিয়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, মোঃ আলমগীর কবির, মহাসচিব, পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি,মো: শাহাবুদ্দীন,
সাংবাদিক মুহাম্মদ আলী,হাফেজ মোঃ জাহেদ, শিক্ষক, ফাতেমা-সাঈদ হেফজখানা, বান্দরবান।

মহাসমাবেশে বক্তারা বলেন, বৈষম্য মূলক ও বিশেষ উদ্দেশ্য প্রনোদিত পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন সংশোধন এবং অসহায় ও ভূমিহীনদের মাঝে ভূমি বন্দোবস্তী চালু করতে হবে। ষড়যন্ত্রমূলক এবং একটি বিশেষ শ্রেণী গোষ্ঠীর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের সরকারী ও খাস ভূমি দখল এবং বনজ সম্পদ ধ্বংসের পায়তারার অংশ হিসেবে চালু করা ভিলেজ কমন ফরেস্ট বা পাড়াবন প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।পার্বত্য চট্টগ্রামে বিছিন্নবাদী সশস্ত্র সংগঠন কর্তৃক সশস্ত্র সংঘাত, হত্যা, গুম, অপহরণ, চাঁদাবাজি, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার যথাযথ উদ্যোগ নিতে হবে। উপজাতিরা সমগ্র বাংলাদেশে জমি ক্রয়, বসবাস, চাকরি ও ব্যবসা করতে পারে। একই ভাবে তিন পার্বত্য জেলায় অন্য ৬১ জেলার নাগরিকদের সীমিত আকারে বিশেষ বিবেচনায় শিল্প কারখানা স্থাপন কিংবা ব্যবসায়ীক বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে জমি ক্রয় করে বসবাস করার সুযোগ দিতে হবে এবং পার্বত্য স্থায়ী বাসিন্দা সার্টিফিকেট বাতিল করতে হবে।

Loading

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *