অরুয়াইলে একটি বাঁশের সাঁকোর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষের চলাচল।
এম বাদল খন্দকার ( জেলা প্রতিনিধি) ব্রাক্ষণবাড়ীয়া।
।।সরাইলের সেতারা নদীর উপর থাকা সাতশত ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো।।
বাঁশের সাঁকোটির দৈর্ঘ্য প্রায় ৭শ' ফুট, প্রস্থ ৬ ফুট। এ সাঁকো দিয়ে মোটর সাইকেল চলাচল করলেও রিকশা বা পণ্যবাহী ভ্যান চলাচল করতে পারে না। ফলে কাঁধে করেই উৎপাদিত পণ্য ও মালামাল নিয়ে এলাকাবাসীকে সাঁকো পারাপার হতে হয়।স্থানীয়রা জানান, ১৯৯৭ সালে রানিদিয়া গ্রামের এলাকাবাসী মিলে প্রায় দুই লাখ টাকা ব্যয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে উপজেলার অরুয়াইল বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সেতারা নদীতে (ছেত্রা নদী) বিশালাকৃতির এই সাঁকোটি নির্মাণ করেছিলেন। এরপর থেকে প্রতি বছর নভেম্বর মাসে প্রায় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা খরচ করে এই সাঁকোটি পুননির্মাণ করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে প্রায় ৭ মাস লোকজন এই সাঁকো দিয়ে পারাপার হয়। জুনের মাঝামাঝি বর্ষায় পানি এলে সাঁকোটি আবার ভেঙে ফেলা হয়।স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরও সেতারা নদীর উপর নির্মিত হয়নি কোনো পাকা ব্রিজ। ফলে উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নের লোকজনকে ৭শ' ফুট লম্বা বাঁশের সাঁকো দিয়েই প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। গণমাধ্যমের তথ্য মতে ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়। এই পর্যন্ত অনেক জনপ্রতিনিধিরা ওয়াদা করেছিলেন। এখানে একটি ব্রীজ নির্মাণ করার কিন্তু আজও পর্যন্ত এখানে কোন ব্রিজ করা হয়নি। এই ছেত্রানদীর ওপরে একটি ব্রিজ হলে। এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচলের সুব্যবস্থা হবে। ভুক্তভোগী মানুষের চলাচলের সুব্যবস্থা করতে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজর দিলে এলাকাবাসী উপকৃত হবে।।
চেয়ারম্যান: মো: সোহেল রানা
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ মোঃ আলমগীর হোসেন রানা
দর্পণ বাংলা নিউজ ২৪.কম কর্তৃক সম্পাদিত ও প্রকাশিত।